বাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ও অংশগ্রহণ ফি
আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য সুখবর দিচ্ছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলের খরচ সামলাতে এবং আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রাইজমানি ও আনুষঙ্গিক ফি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি।
আজ ফিফা জানায়, অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর যাতায়াত, আবাসন ও অন্যান্য পরিচালনা ব্যয় মেটাতে প্রাইজমানি বাড়ানোর বিষয়ে বিভিন্ন জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বিশেষ করে ইউরোপীয় দলগুলোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে ফিফা এই ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
আগামী মঙ্গলবার কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কাউন্সিলের সভায় এই প্রস্তাবটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
গত ডিসেম্বরে ফিফা বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলারের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছিল।
যেখানে চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতিটি অংশগ্রহণকারী দলের জন্য সর্বনিম্ন ১০.৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যাতায়াত এবং কর সংক্রান্ত বাড়তি খরচের কথা মাথায় রেখে ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা এই অর্থ বাড়ানোর দাবি তোলে।
ফিফা জানিয়েছে, ২০২৩-২৬ চক্রে তাদের আয় ১১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যা এই প্রাইজমানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
ফিফার একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানান, ‘ফিফা নিশ্চিত করছে যে আমরা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের সাথে লভ্যাংশ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছি। এর মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা দলগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান এবং ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের জন্য উন্নয়ন তহবিল বৃদ্ধিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’ অর্থাৎ সদস্য দেশ হিসেবে এর একটি অংশ পাবে বাংলাদেশও।
উল্লেখ্য, আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৪৮টি দলের জন্য পারফরম্যান্স-ভিত্তিক পেমেন্ট বাবদ ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার এবং প্রতিটি দেশের প্রস্তুতি খরচের জন্য ১.৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ছিল। নতুন এই পরিবর্তনের ফলে এই অংক আরও বাড়বে।
২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ৩২ দলের ক্লাব বিশ্বকাপের সাফল্যের কারণে ফিফার বাজেটকৃত রাজস্বের ৯৩ শতাংশই ইতিমধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে।
আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর।

