May 14, 2026

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

 ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি


মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্তের পর আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় সরকারি-বেসরকারি অফিস সাত দিন ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী-

জরুরি পরিষেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ-সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীরা এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসসমূহ এই ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বেসরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান/কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

এর আগে গত ৭ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাত দিন ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়।

আগামী ২৬ থেকে ৩১ মে ঈদুল আজহার ছুটি নির্ধারিত ছিল। এই ছুটি একদিন (২৫ মে) বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের ছুটির আগের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (২৩ মে) অফিস খোলা থাকবে। সেই সঙ্গে রোববার (২৪ মে) ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস থাকবে।


স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ ঘাতক ফোরকানের

 স্ত্রী-তিন মেয়েসহ ৫ খুন: পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ ঘাতক ফোরকানের


গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী ও তিন মেয়েসহ পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার পর পালিয়ে যাওয়া ফোরকান মোল্লা (৪০) আত্মহত্যার জন্য পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি।
পুলিশের ধারণা, নদীতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শরিফ উদ্দিন তার কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান।
গত ৮ মে রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা এলাকার ভাড়া বাসায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যা করে পালিয়ে যান ফোরকান। তিনি প্রথমে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে খাওয়ান ওই পাঁচজনকে।
পরে তারা ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন আসামি। পালিয়ে যাওয়ার পর স্বজনদের ফোনকল করে হত্যার কথা জানান ফোরকান।

তিনি গোপালগঞ্জ সদর থানার মেরী গোপীনাথপুর এলাকার আতিয়ার রহমান মোল্লার ছেলে। ফোরকান পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার পাঁচজন হলেন তার স্ত্রী শারমিন খানম (৩৫), তিন মেয়ে মিম (১৪), উম্মে হাবিবা ওরফে মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।

ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, পাঁচ খুনের ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১১ মে ফোরকান মোল্লার মোবাইল ফোনটি মেহেরপুর সদর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

তদন্তকালে জানা যায়, এক ট্রাকের হেলপার ওইদিন সকাল পৌনে ৭টার দিকে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে মোবাইল ফোনটি পড়ে থাকতে দেখে নিয়ে নেন। পরে পদ্মা সেতুর সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একই দিন সকাল ৬টা ৪২ মিনিটে এক ব্যক্তি সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা অবস্থায় সাদা প্রাইভেটকার থেকে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে নামছিলেন। পরে পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের পাশে কিছু রেখে ২-৩ মিনিট পর পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন। তদন্তে জানা যায়, পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেওয়া ব্যক্তিটি আসামি ফোরকান মোল্লা।

পুলিশ সুপার আরও জানান, ধারণা করা হয় ফোরকান মোল্লা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার স্ত্রী, তিন কন্যা এবং শ্যালককে হত্যা করেন। পরে নিজে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা অব্যাহত আছে। মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।

প্রায় ১৬ বছর আগে ফোরকানের সঙ্গে গোপালগঞ্জ সদর থানার পাইককান্দি এলাকার মো. সাহাদৎ মোল্যার মেয়ে শারমিন খানমের বিয়ে হয়। প্রায় ছয় মাস ধরে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় মনির হোসেনের বাড়িতে স্ত্রী ও তিন মেয়েকে নিয়ে ভাড়ায় থাকছিলেন ফোরকান। ৮ মে রাতে তিনি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেলে পরদিন খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি। 

এ ঘটনায় শারমিন খানম ও রসুল মিয়ার বাবা মো. সাহাদৎ মোল্যা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করে ৩-৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।




পদ্মা ব্যারেজ কী কাজে লাগবে

 পদ্মা ব্যারেজ কী কাজে লাগবে




দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মৃতপ্রায় নদীগুলোকে প্রাণদান এবং দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের পানির সংকট দূর করতে বিশাল এক মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রাজবাড়ীর পাংশায় পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত হতে যাচ্ছে দেশের বৃহত্তম ‘ব্যারেজ'।
৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি আগামী সাত বছরের মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।  

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি আগামী সাত বছরের মধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।  

একনজরে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প:

নির্মাণস্থল: রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা।

ব্যয়: প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

দৈর্ঘ্য: ২.১ কিলোমিটার (থাকছে ৭৮টি স্পিলওয়ে ও ১৮টি আন্ডার স্লুইস এবং দু'টি ফিশ পাস রাখা হবে)।

লক্ষ্য: ৫টি প্রধান নদী পুনরুজ্জীবিত করা এবং ২৪ জেলার পানিসংকট নিরসন।

সময়সীমা: ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রকল্পের সমাপ্তি।

ব্যারেজ কী?

ব্যারেজ হলো পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নদী বা জলাধারের ওপর আড়াআড়িভাবে নির্মিত বিশেষ একটি অবকাঠামো। ড্যাম বা বাঁধের সঙ্গে এর পার্থক্যে হলো বাঁধের মাধ্যমে সাধারনথ জলাধারের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট জায়গাজুড়ে পানি ধরে রাখা হয়।

অন্যদিকে ব্যারেজের মাধ্যমে পানির প্রবাহ বন্ধ করার পরিবর্তে সেটির গতিপথ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এক্ষেত্রে মূল অবকাঠামোতে একাধিক দরজা রাখা হয়, যেখান দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়।

সাধারণত ব্যারেজ নির্মাণের আগে উজানে এক বা একাধিক কৃত্রিম খাল খনন করা হয়। এরপর পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে ওইসব খালে পানি ঢোকানো হয়। সেই পানি পাম্পের মাধ্যমে কৃষি জমিতে সেচ আকারে দেওয়া হয়। আবার অনেক সময় ব্যারেজের মাধ্যমে এক নদীর পানি অন্য নদীতে নিয়ে সেটির প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে সেটিই করার পরিকল্পনা করছেন কর্মকর্তারা।

কেন পদ্মা ব্যারেজ, কী কাজে লাগবে?

সভা শেষে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের বলেন, ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে শুষ্ক মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তীব্র খরা ও লবণাক্ততা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারেজ  হবে একটি ‘মাস্টারমাইন্ড’ প্রকল্প। এর মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে গড়াই, মধুমতী, হিসনা-মাথাভাঙ্গা, বড়াল ও ইছামতী নদীতে পানি প্রবাহ বাড়ানো হবে।

এক্ষেত্রে ব্যারেজের মাধ্যমে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ওইসব নদীতে প্রায় ৮০০ কিউসেক পানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। এরপর সেই পানি দিয়ে যশোর, খুলনা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, নড়াইল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং পিরোজপুর অঞ্চলে প্রায় ২৯ লাখ হেক্টর কৃষি জমিতে সেচ দেওয়া হবে বলে প্রকল্পে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেটি সম্ভব হলে এসব অঞ্চলে ধান এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা। নদী তীরবর্তী এলাকার জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চল, সেদিকের মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকার পাবে, এই পদ্মা ব্যারেজ করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ বেনিফিটটা আমরা ওই অঞ্চলের মানুষকে দিতে পারবো, সেটা কৃষিখাতে হোক, সুন্দরবনের জন্য হোক, বলেও জানান পানিসম্পদমন্ত্রী।

প্রকল্প কর্মকর্তারা বলছেন, নদীগুলোতে স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লবণাক্ততার বিস্তার কমবে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা পাবে এবং সেচ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতি হবে। এ ছাড়া গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্প, উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প, গোদাগাড়ী পাম্প হাউস এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সরকার আশা করছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৯ লাখ হেক্টর কৃষি জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এতে বার্ষিক ধান উৎপাদন ২৪ লাখ টন এবং মাছের উৎপাদন সোয়া দুই লাখ টন বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্পেও পানির সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিদ্যুৎকেন্দ্র ও স্যাটেলাইট শহর

প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে ব্যারেজকে কেন্দ্র করে তিনটি পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নদীর তীরে সাতটি আধুনিক ‘স্যাটেলাইট শহর’ গড়ে তোলার মহাপরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। সবমিলিয়ে এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার আর্থ-সামাজিক সুবিধা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সরকারের কর্মকর্তারা।

গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকে বিভিন্ন সময় এই ব্যারেজ নির্মাণের সমীক্ষা চললেও বর্তমান সরকার এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

May 13, 2026

দোহার বিলাসপুরের অগ্নিকাণ্ডে এতিম হওয়া শিশুদের সার্বিক দ্বায়িত্বে এমপি খন্দকার আবু আশফাক

 দোহার
বিলাসপুরের অগ্নিকাণ্ডে এতিম হওয়া শিশুদের সার্বিক দ্বায়িত্বে এমপি খন্দকার আবু আশফাক

ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মাকে হারিয়ে বেঁচে যাওয়া শিশুদের দেখতে হাসপাতালে যান ঢাকা-০১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
এ সময় তিনি শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। শিশুদের স্বজনদের সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেন, এই শোক কাটিয়ে উঠতে পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করা হবে।

সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিষ্পাপ শিশুরা এক মুহূর্তে মা-বাবাকে হারিয়েছে। তাদের চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।আমি এদের পড়াশোনা ও বিয়ের সার্বিক দ্বায়িত্ব নিলাম”।

তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের ঢাকা জেলা সহ-সভাপতি আবুল হাসেম। এছাড়াও স্থানীয় নেতাকর্মী ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিলাসপুর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনায় শিশুদের মা-বাবার মৃত্যু হয় এবং কয়েকজন শিশু আহত অবস্থায় উদ্ধার হন।


মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শোল্লা ইউনিয়নের যুবসমাজের ‘রণহুঙ্কার’: ঐক্যবদ্ধ গ্রামবাসী

 মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শোল্লা ইউনিয়নের যুবসমাজের ‘রণহুঙ্কার’: ঐক্যবদ্ধ গ্রামবাসী


ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নে মাদকের নীল দংশন আর সন্ত্রাসের রাজত্বের বিরুদ্ধে এবার রুখে দাঁড়িয়েছে শান্তিকামী জনতা। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে শোল্লা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের হায়াতকান্দা গ্রামে দেখা গেল এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মাদক, সন্ত্রাস, চুরি ও জুয়ার বিরুদ্ধে শত শত যুবকের দৃপ্ত পদচারণায় কেঁপে ওঠে এলাকার রাজপথ।

স্থানীয় যুবসমাজ ও গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশাল প্রতিবাদ মিছিলে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয় পুরো গ্রাম। মিছিলকারীদের কণ্ঠে ছিল সমাজ সংস্কারের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। বিশেষ করে “বিচারের নামে অবিচার” রুখে দিতে এবং একটি নিরাপদ ও কলুষমুক্ত সমাজ গড়তে জনসচেতনতামূলক স্লোগান দেন তারা।

মিছিলটি গ্রামের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
“চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ আর মাদকসেবীরা দেশ ও দশের শত্রু। হায়াতকান্দার পবিত্র মাটিতে এদের কোনো স্থান নেই। যারা বিচারের নামে অবিচার করছে এবং জুয়ার আসর বসিয়ে যুবসমাজকে ধ্বংস করছে, তাদের আমরা সামাজিকভাবে বয়কট করার ঘোষণা দিচ্ছি।”
— বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী

সমাবেশে যুবসমাজের প্রতিনিধিরা এলাকাকে নিরাপদ করতে একগুচ্ছ কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তারা জানান: এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যুবকরা দলবদ্ধভাবে রাত জেগে পাহারা দেবেন


দোহার – নবাবগঞ্জ নিয়ে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা: এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বদ্ধপরিকর

 দোহার – নবাবগঞ্জ নিয়ে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা: এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বদ্ধপরিকর


 দোহার – নবাবগঞ্জ নিয়ে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা: এমপি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বদ্ধপরিকর
 

শনিবার ঢাকার নবাবগঞ্জে উপজেলা ডাকবাংলো এবং জেলা পরিষদ মার্কেট পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ। পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-০১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।

পরিদর্শন শেষে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার দুই নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এসময় নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা ইসলাম ও দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, চেয়ারম্যান ডাকবাংলোর সার্বিক অবস্থা এবং জেলা পরিষদ মার্কেটের ব্যবসায়িক পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সাথে দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার আগামী দিনের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সংস্কারমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ বলেন: “দোহার ও নবাবগঞ্জকে আধুনিক ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা পরিষদ বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করা হবে।”

পরিদর্শনকালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়রা আশা করছেন, এই পরিদর্শনের ফলে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে

গুরুতর অসুস্থ কমান্ডার আবু তালেব শিকদারকে দেখতে এমপি আশফাক

 গুরুতর অসুস্থ কমান্ডার আবু তালেব শিকদারকে দেখতে এমপি আশফাক


মাহমুদুল হাসান সুমন : দোহার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আবু তালেব শিকদার গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাকে দেখতে হাসপাতালে যান ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঢাকা-০১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক এমপি।

এ সময় তিনি অ্যাডভোকেট আবু তালেব শিকদারের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতালে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।