May 30, 2026

চীনের তুরপানে আবিষ্কৃত ২,২০০ বছরের পুরনো একটি কৃত্রিম পায়ের

 চীনের তুরপানে আবিষ্কৃত ২,২০০ বছরের পুরনো একটি কৃত্রিম পায়ের


 চীনের তুরপানে আবিষ্কৃত ২,২০০ বছরের পুরনো একটি কৃত্রিম পায়ের (prosthetic leg) বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো:
পশ্চিম চীনে সিল্ক রোডের কাছে একটি সমাধিতে ২,২০০ বছর পুরনো একটি কৃত্রিম পা পাওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা *চাইনিজ আর্কিওলজি* জার্নালে এর বর্ণনা দিতে গিয়ে লিখেছেন, "এটি পপলার কাঠ দিয়ে তৈরি; এর দুই পাশে সাতটি ছিদ্র রয়েছে, যার মাধ্যমে চামড়ার ফিতা দিয়ে এটিকে বিকলাঙ্গ পায়ের সাথে বেঁধে রাখা হতো। কৃত্রিম পাটির নিচের অংশটি চোঙাকৃতির, যা একটি ঘষা অক্সের (ষাঁড়) শিং দিয়ে মোড়ানো এবং এর মাথায় একটি ঘোড়ার খুর লাগানো রয়েছে, যাতে এটি মাটির সাথে ভালো গ্রিপ পায় এবং সহজে ক্ষয়ে না যায়।"
যিনি এই পা ব্যবহার করতেন, মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৫০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে। কৃত্রিম পাটির উপরের অংশে ক্ষয় দেখে বোঝা যায় যে এটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হয়েছিল। *ব্রিজিং ইউরেশিয়া* এবং *কোয়াটারনারি ইন্টারন্যাশনাল*-এ প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, তার বাম হাঁটুর হাড়গুলো आपसে মিশে গিয়েছিল (fused), সম্ভবত রিউম্যাটিজম বা কোনো আঘাতজনিত প্রদাহের কারণে এমনটা হয়েছিল। তার সমাধিতে মাটির তৈরি কাপ, একটি বয়াম এবং কাঠের তৈরি বিভিন্ন শিল্পকর্মও পাওয়া গেছে।
সূত্র: আর্কিওলজি ম্যাগাজিন।

রওনা হতেন হজের উদ্দেশ্যে

 রওনা হতেন হজের উদ্দেশ্যে

আজকের মতো বিমান, দ্রুতগামী যানবাহন কিংবা সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা তখন ছিল না। তবু শত শত বছর আগে আফ্রিকার নানা অঞ্চল থেকে অসংখ্য মুসলমান রওনা হতেন হজের উদ্দেশ্যে- এক এমন যাত্রায়, যা শুধু দূরত্ব নয়, ধৈর্য, ত্যাগ আর ঈমানেরও পরীক্ষা ছিল।
তাদের অনেককে পাড়ি দিতে হতো প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার পথ।
এই সফর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের ছিল না, অনেকের ক্ষেত্রে এই হজযাত্রা বহু বছরের দীর্ঘ অভিযাত্রা হয়ে উঠত।
তারা মরুভূমি পেরিয়ে এগিয়ে যেতেন। সঙ্গে থাকত গবাদিপশু, যা পথের খাবার ও বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কেউ কেউ পুরো জীবনজুড়ে অর্থ সঞ্চয় করতেন শুধু একবার মক্কায় পৌঁছানোর স্বপ্নে।
পথের বিভিন্ন স্থানে মুসলিম শাসক ও দানশীল মানুষদের তৈরি কূপ, সরাইখানা ও আশ্রয়কেন্দ্র ছিল হজযাত্রীদের বড় ভরসা। আল্লাহর মেহমানদের সেবা করাকে তারা ইবাদতের অংশ হিসেবেই দেখতেন।
অনেক হজযাত্রী দুই বছর পর নিজ দেশে ফিরতেন। আবার কেউ কেউ কায়রো, দামেস্কের মতো শহরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতেন জ্ঞান অর্জনের জন্য। এরপর দেশে ফিরে তারা 'হাজি' উপাধিতে সম্মানিত হতেন।
 


তারুণ্যের_শক্তি_একসাথে_আলোর_পথে_চুড়াইন

 তারুণ্যের_শক্তি_একসাথে_আলোর_পথে_চুড়াইন

 তারুণ্যের_শক্তি_একসাথে_আলোর_পথে_চুড়াইন। আজকে কমিটি গঠন ও প্রথম আলোচনা সভা। চুড়াইন তরুণদের উদ্যোগে চুড়াইনকে আলোকিত করা ও মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত সমাজ গড়ার জন্য সকলকে আহবান জানাচ্ছি।